ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলাম
  4. কবিতা
  5. খেলাধুলা
  6. গোয়াইনঘাট
  7. জাতীয়
  8. জৈন্তাপুর
  9. প্রচ্ছদ
  10. প্রবাস
  11. প্রযুক্তি
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফ স্টাইল
   
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোয়াইনঘাটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এম এ মতিন ! সহযোগী সম্পাদক
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক,গোয়াইনঘাটঃ গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিদ্ধার্থ ভৌমিক বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের (বুদ্ধিজীবীদের) আত্মত্যাগ সার্থক হবে। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তিনি জাতির সেই সকল সূর্যসন্তান, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শহীদ পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। আলোচনা সভায় গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমদ বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতিকে ধীরে-ধীরে মুক্তি সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করেন বলেই ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে-সাথে গোটা জাতি মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে চূড়ান্ত বিজয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাঁদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, শিল্প-সাহিত্যের চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি এবং যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে অসামান্য অবদান রাখেন।’ তিনি বলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকাসহ সারাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। নির্মমভাবে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় জুড়েই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যাকান্ড ছিলো জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলেও তিনি মনে করেন। ত্যাগ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফিয়া বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া কয়েছ, সহকারী কমিশনার ভুমি তানভীর হোসেন,গোয়াইনঘাট থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রায়হান পারভেজ রনি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু পুরকায়স্থ, শিক্ষা কর্মকর্তা প্রত্যুল চন্দ্র সরকার, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কিবরিয়া হেলাল, গোয়াইনঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি এম এ মতিন, সিনিয়র সহসভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও লেঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন, এম নিজাম উদ্দিন, মামুন পারভেজ, শাহাব উদ্দিন শিহাব, নজরুল ইসলাম, বিছনাকান্দি ইউনিয়নের প্রশাসক বদরুল ইসলাম প্রমুখ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।