বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

প্রকাশিত: ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া এ দিবসের লক্ষ্য। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো “Rethinking Tourism, পর্যটনের নতুন ভাবনা” প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডসহ বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।করোনায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পর্যটন। এ খাতের স্থবিরতায় গত বছর- ২০২০ সালে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) লোকসান হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার কোটি টাকা (৩০১ কোটি ডলার)। আর চাকরি হারিয়েছে ৪ লাখের বেশি মানুষ। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের (ডব্লিউটিটিসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবছর ডব্লিউটিটিসি এবং অক্সফোর্ড ইকোনমিক্স পর্যটন খাতের ১৮৫টি দেশে অর্থনৈতিক অবদানের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে। ২০২১ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব ভ্রমণ ও পর্যটন খাতটি গত বছর প্রায় সাড়ে ৪ ট্রিলিয়ন বা সাড়ে ৪ লাখ কোটি ডলার লোকসান করেছে এবং প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। পর্যটন এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শিল্প। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ২০১৯ সালের জিডিপিতে পর্যটন ৪ দশমিক ৪ শতাংশ অবদান রেখেছিল।

বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল হিসেবে সিলেটেও এর প্রভাব পড়েছে। চা বাগান, জাফলং, রাতারগুল জলাবন, হাওর, লালাখাল, ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর, বিছনাকান্দি, তামাবিল, পাহাড়, ঝর্ণা সব মিলিয়ে নানা বৈচিত্রের সম্ভার এই সিলেট দেশের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল সিলেট করোনাকালীন সময়ে পর্যটক শূন্য ছিলো।

সিলেট জেলা প্রশাসন দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে। এছাড়া, সিলেট ট্যুরিজম ক্লাব,সিলেট পর্যটন শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড নগরীতে র‌্যালী ও আলোচনা সভা আয়োজন করেছে । সকাল ১১ টায় শেখঘাটস্থ কার্যালয় থেকে র‌্যালী বের করে সাড়ে ১১টায় সবাই জেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভায় যোগ দিবেন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দেশের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পর্যটন অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে।